ঢাকা ০৯:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

তওবা কী, কীভাবে করবেন

জীবনের নিশ্চয়তা না থাকলেও একটি বিষয়ের নিশ্চয়তা আছে—দয়াময় আল্লাহ আমাদের জন্য তওবার দরজা খোলা রেখেছেন, যা প্রাণ কণ্ঠে পৌঁছে যাওয়ার আগপর্যন্ত বন্ধ হয় না।

মানুষ যদি নিজের মৃত্যুর সময় সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে জানতে পারত, তবে হয়তো অনেকেই ভাবত—এখন কিছুদিন পাপ করি, মৃত্যুর আগে তওবা করে নেব। আল্লাহ তো পরম দয়ালু, তিনি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তওবা কবুল করেন।

কিন্তু বাস্তবতা হলো, আমাদের সেই সুযোগ দেওয়া হয়নি। জীবন অনিশ্চয়তায় ভরা। আজ আমরা যাদের সঙ্গে কথা বলছি, কাল হয়তো তাদের কেউ থাকবে না অথবা আমরা নিজেরাই থাকব না।

বিস্তারিত

তবে আমাদের জীবনের নিশ্চয়তা না থাকলেও একটি বিষয়ের নিশ্চয়তা আছে—দয়াময় আল্লাহ আমাদের জন্য তওবার এমন এক দরজা খোলা রেখেছেন, যা প্রাণ কণ্ঠে পৌঁছে যাওয়ার আগপর্যন্ত কখনো বন্ধ হয় না।

তওবা শব্দের অর্থ ফিরে আসা। অর্থাৎ পাপ ও অবাধ্যতার পথ ছেড়ে আল্লাহর দিকে ফিরে আসা। নিজের কৃতকর্মের জন্য আন্তরিকভাবে লজ্জিত হওয়া, ক্ষমা চাওয়া এবং ভবিষ্যতে সেই পাপ আর না করার দৃঢ় সংকল্প করাই হলো প্রকৃত তওবা।

আমরা আল্লাহর রহমত থেকে কখনো নিরাশ হব না। আল্লাহ বলেন, ‘যে ব্যক্তি পাপ করে কিংবা নিজের প্রতি জুলুম করে, অতঃপর আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, সে আল্লাহকে ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু পাবে।’ (সুরা আন-নিসা, আয়াত: ১১০)

তিনি আরও বলেন, ‘বলুন, হে আমার বান্দাগণ! যারা নিজেদের ওপর জুলুম করেছ, তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সমস্ত পাপ ক্ষমা করেন। তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’ (সুরা জুমার, আয়াত: ৫৩)

আমরা আল্লাহর রহমত থেকে কখনো নিরাশ হব না। আল্লাহ বলেন, ‘যে ব্যক্তি পাপ করে কিংবা নিজের প্রতি জুলুম করে, অতঃপর আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, সে আল্লাহকে ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু পাবে।’ (সুরা আন-নিসা, আয়াত: ১১০)

পাপ করার পর অজু করে দুই রাকাত নামাজ আদায় করা মুস্তাহাব। হাদিসে এসেছে, ‘যদি কোনো বান্দা পাপ করে, অতঃপর সুন্দরভাবে পবিত্রতা অর্জন করে দুই রাকাত নামাজ আদায় করে এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, তবে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ১৫২১)

৯ জুন, ২০২৬ ইং
মঙ্গলবার
তওবা কী,
কীভাবে করবেন
বিস্তারিত কমেন্টে >>>
🌐 themedia.com.bd
ট্যাগঃ
জনপ্রিয়

তওবা কী, কীভাবে করবেন

আপডেটঃ ০৬:৩২:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

জীবনের নিশ্চয়তা না থাকলেও একটি বিষয়ের নিশ্চয়তা আছে—দয়াময় আল্লাহ আমাদের জন্য তওবার দরজা খোলা রেখেছেন, যা প্রাণ কণ্ঠে পৌঁছে যাওয়ার আগপর্যন্ত বন্ধ হয় না।

মানুষ যদি নিজের মৃত্যুর সময় সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে জানতে পারত, তবে হয়তো অনেকেই ভাবত—এখন কিছুদিন পাপ করি, মৃত্যুর আগে তওবা করে নেব। আল্লাহ তো পরম দয়ালু, তিনি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তওবা কবুল করেন।

কিন্তু বাস্তবতা হলো, আমাদের সেই সুযোগ দেওয়া হয়নি। জীবন অনিশ্চয়তায় ভরা। আজ আমরা যাদের সঙ্গে কথা বলছি, কাল হয়তো তাদের কেউ থাকবে না অথবা আমরা নিজেরাই থাকব না।

বিস্তারিত

তবে আমাদের জীবনের নিশ্চয়তা না থাকলেও একটি বিষয়ের নিশ্চয়তা আছে—দয়াময় আল্লাহ আমাদের জন্য তওবার এমন এক দরজা খোলা রেখেছেন, যা প্রাণ কণ্ঠে পৌঁছে যাওয়ার আগপর্যন্ত কখনো বন্ধ হয় না।

তওবা শব্দের অর্থ ফিরে আসা। অর্থাৎ পাপ ও অবাধ্যতার পথ ছেড়ে আল্লাহর দিকে ফিরে আসা। নিজের কৃতকর্মের জন্য আন্তরিকভাবে লজ্জিত হওয়া, ক্ষমা চাওয়া এবং ভবিষ্যতে সেই পাপ আর না করার দৃঢ় সংকল্প করাই হলো প্রকৃত তওবা।

আমরা আল্লাহর রহমত থেকে কখনো নিরাশ হব না। আল্লাহ বলেন, ‘যে ব্যক্তি পাপ করে কিংবা নিজের প্রতি জুলুম করে, অতঃপর আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, সে আল্লাহকে ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু পাবে।’ (সুরা আন-নিসা, আয়াত: ১১০)

তিনি আরও বলেন, ‘বলুন, হে আমার বান্দাগণ! যারা নিজেদের ওপর জুলুম করেছ, তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সমস্ত পাপ ক্ষমা করেন। তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’ (সুরা জুমার, আয়াত: ৫৩)

আমরা আল্লাহর রহমত থেকে কখনো নিরাশ হব না। আল্লাহ বলেন, ‘যে ব্যক্তি পাপ করে কিংবা নিজের প্রতি জুলুম করে, অতঃপর আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, সে আল্লাহকে ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু পাবে।’ (সুরা আন-নিসা, আয়াত: ১১০)

পাপ করার পর অজু করে দুই রাকাত নামাজ আদায় করা মুস্তাহাব। হাদিসে এসেছে, ‘যদি কোনো বান্দা পাপ করে, অতঃপর সুন্দরভাবে পবিত্রতা অর্জন করে দুই রাকাত নামাজ আদায় করে এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, তবে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ১৫২১)

৯ জুন, ২০২৬ ইং
মঙ্গলবার
তওবা কী,
কীভাবে করবেন
বিস্তারিত কমেন্টে >>>
🌐 themedia.com.bd