প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম বাজেট ঘিরে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়ন, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি, অর্থনীতির চাপ সামাল দেওয়া এবং বড় আকারের ব্যয় ব্যবস্থাপনা। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করবেন।
সরকারি সূত্র ও অর্থনীতি-সংশ্লিষ্ট পর্যবেক্ষকদের মতে, এবার বাজেটের আকার বড় হওয়ার পেছনে প্রধান কারণ হলো নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের চাপ। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি সহায়তা, সামাজিক নিরাপত্তা বলয় সম্প্রসারণ এবং বিভিন্ন খাতে ভর্তুকি ধরে রাখার মতো বিষয়গুলো বাজেটে অগ্রাধিকার পেতে পারে।
একই সঙ্গে সরকারের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে আছে মূল্যস্ফীতি, রাজস্ব ঘাটতি, ব্যাংক খাতের অনিশ্চয়তা এবং বিনিয়োগে স্থবিরতা। ফলে বাজেটে একদিকে জনকল্যাণমূলক ব্যয় বাড়ানোর চাপ থাকলেও, অন্যদিকে অর্থের জোগান ও আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, এই বাজেট থেকেই বোঝা যাবে সরকার অর্থনীতিকে কীভাবে পুনর্গঠনের পথ ধরতে চায়। রাজস্ব আদায় বাড়ানো, ব্যাংক খাতে আস্থা ফেরানো, কর্মসংস্থানমুখী বিনিয়োগ উত্সাহিত করা এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর দিকনির্দেশনা দেওয়ার বিষয়গুলো এবার নিবিড়ভাবে দেখা হবে।
সরকারের জন্য এই বাজেট শুধু বার্ষিক আয়ের-ব্যয়ের হিসাব নয়; বরং রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও অর্থনৈতিক বাস্তবতার মধ্যে ভারসাম্য তৈরিরও একটি বড় পরীক্ষা। সংসদে বাজেট উপস্থাপনের পরই স্পষ্ট হবে, বড় আকারের এই পরিকল্পনায় সাধারণ মানুষের জন্য তাৎক্ষণিক স্বস্তির ব্যবস্থা কতটা রাখা হচ্ছে এবং দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের পথে সরকার কতটা এগোতে চাইছে।
ছবি: জাতীয় সংসদের ফাইল ছবি
দ্য মিডিয়া ডেস্ক 





















