ঢাকা ০৯:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

ডাকাতির সময় মা ও মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ।

পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন বলেন, ওই গৃহবধূর স্বামী চট্টগ্রামে চাকরি করেন। বাড়িতে ১৫ বছর আর ৭ বছরের দুই মেয়েকে নিয়ে ওই ওই গৃহবধূ থাকেন।

কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলায় ডাকাতির পর এক গৃহবধূ ও তাঁর কিশোরী মেয়েকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ছয়জনকে আটক করেছে পুলিশ।

আটক ব্যক্তিরা হলেন রেজাউল করিম (৩৬), তোফাজ্জল হোসেন (২৩), কেফায়েত হোসেন (২৭), মোহাম্মদ তানজিদ (২৪), মেহেদী হাসান (২৪) ও মোহাম্মদ তারেক (২৬)। তাঁরা সবাই একই উপজেলার বাসিন্দা।

পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন বলেন, ওই গৃহবধূর স্বামী চট্টগ্রাম নগরে চাকরি করেন। বাড়িতে ১৫ বছর আর ৭ বছরের দুই মেয়েকে নিয়ে ওই গৃহবধূ থাকেন। গতকাল রাতে ৮ থেকে ১০ সদস্যর ডাকাত দল তাঁর ঘরে হানা দেয়। ঘরের জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে ডাকাত দলের সদস্যরা। এরপর ঘরের আলমারি থেকে সোনা, নগদ টাকা লুট করে গৃহবধূ ও তাঁর কিশোরী মেয়েকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়।

ওই গৃহবধূর ছোট ভাই প্রথম আলোকে বলেন, ‘ডাকাত দলের সদস্যরা চলে যাওয়ার পর খবর পেয়ে আমরা সেখানে যাই। তখন আমার বোন ও ভাগনি জড়সড় হয়ে দুজন দুটি কক্ষে বসে ছিলেন। ঘটনার বর্ণনা শুনে তাঁদের উদ্ধার করে রাত চারটার দিকে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে সেখান থেকে দুজনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।’

গৃহবধূর মা (৬৫) বলেন, ‘এমন বর্বর ঘটনা এ এলাকায় আগে ঘটেনি। কারও কাছেও শুনিনি। আমার মেয়ে ও নাতনির ওপর যারা পাশবিক নির্যাতন চালিয়েছে, তাদের চিহ্নিত করে ফাঁসি দেওয়া হোক। আর কোনো চাওয়া নেই।’

জানতে চাইলে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনির হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘পুলিশ ভোরে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে আটক করেছে। এর মধ্যে চারজনকে ভুক্তভোগী ব্যক্তিরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে শনাক্ত করেছেন।’

পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন বলেন, ওই গৃহবধূর স্বামী চট্টগ্রাম নগরে চাকরি করেন। বাড়িতে ১৫ বছর আর ৭ বছরের দুই মেয়েকে নিয়ে ওই গৃহবধূ থাকেন। গতকাল রাতে ৮ থেকে ১০ সদস্যর ডাকাত দল তাঁর ঘরে হানা দেয়। ঘরের জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে ডাকাত দলের সদস্যরা। এরপর ঘরের আলমারি থেকে সোনা, নগদ টাকা লুট করে গৃহবধূ ও তাঁর কিশোরী মেয়েকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়।

জানতে চাইলে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনির হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘পুলিশ ভোরে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে আটক করেছে। এর মধ্যে চারজনকে ভুক্তভোগী ব্যক্তিরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে শনাক্ত করেছেন।’

৯ জুন, ২০২৬ ইং
মঙ্গলবার
ডাকাতির সময় মা ও
মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ।
বিস্তারিত কমেন্টে >>>
🌐 themedia.com.bd
ট্যাগঃ
জনপ্রিয়

ডাকাতির সময় মা ও মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ।

আপডেটঃ ০৪:৩২:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন বলেন, ওই গৃহবধূর স্বামী চট্টগ্রামে চাকরি করেন। বাড়িতে ১৫ বছর আর ৭ বছরের দুই মেয়েকে নিয়ে ওই ওই গৃহবধূ থাকেন।

কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলায় ডাকাতির পর এক গৃহবধূ ও তাঁর কিশোরী মেয়েকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ছয়জনকে আটক করেছে পুলিশ।

আটক ব্যক্তিরা হলেন রেজাউল করিম (৩৬), তোফাজ্জল হোসেন (২৩), কেফায়েত হোসেন (২৭), মোহাম্মদ তানজিদ (২৪), মেহেদী হাসান (২৪) ও মোহাম্মদ তারেক (২৬)। তাঁরা সবাই একই উপজেলার বাসিন্দা।

পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন বলেন, ওই গৃহবধূর স্বামী চট্টগ্রাম নগরে চাকরি করেন। বাড়িতে ১৫ বছর আর ৭ বছরের দুই মেয়েকে নিয়ে ওই গৃহবধূ থাকেন। গতকাল রাতে ৮ থেকে ১০ সদস্যর ডাকাত দল তাঁর ঘরে হানা দেয়। ঘরের জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে ডাকাত দলের সদস্যরা। এরপর ঘরের আলমারি থেকে সোনা, নগদ টাকা লুট করে গৃহবধূ ও তাঁর কিশোরী মেয়েকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়।

ওই গৃহবধূর ছোট ভাই প্রথম আলোকে বলেন, ‘ডাকাত দলের সদস্যরা চলে যাওয়ার পর খবর পেয়ে আমরা সেখানে যাই। তখন আমার বোন ও ভাগনি জড়সড় হয়ে দুজন দুটি কক্ষে বসে ছিলেন। ঘটনার বর্ণনা শুনে তাঁদের উদ্ধার করে রাত চারটার দিকে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে সেখান থেকে দুজনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।’

গৃহবধূর মা (৬৫) বলেন, ‘এমন বর্বর ঘটনা এ এলাকায় আগে ঘটেনি। কারও কাছেও শুনিনি। আমার মেয়ে ও নাতনির ওপর যারা পাশবিক নির্যাতন চালিয়েছে, তাদের চিহ্নিত করে ফাঁসি দেওয়া হোক। আর কোনো চাওয়া নেই।’

জানতে চাইলে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনির হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘পুলিশ ভোরে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে আটক করেছে। এর মধ্যে চারজনকে ভুক্তভোগী ব্যক্তিরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে শনাক্ত করেছেন।’

পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন বলেন, ওই গৃহবধূর স্বামী চট্টগ্রাম নগরে চাকরি করেন। বাড়িতে ১৫ বছর আর ৭ বছরের দুই মেয়েকে নিয়ে ওই গৃহবধূ থাকেন। গতকাল রাতে ৮ থেকে ১০ সদস্যর ডাকাত দল তাঁর ঘরে হানা দেয়। ঘরের জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে ডাকাত দলের সদস্যরা। এরপর ঘরের আলমারি থেকে সোনা, নগদ টাকা লুট করে গৃহবধূ ও তাঁর কিশোরী মেয়েকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়।

জানতে চাইলে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনির হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘পুলিশ ভোরে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে আটক করেছে। এর মধ্যে চারজনকে ভুক্তভোগী ব্যক্তিরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে শনাক্ত করেছেন।’

৯ জুন, ২০২৬ ইং
মঙ্গলবার
ডাকাতির সময় মা ও
মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ।
বিস্তারিত কমেন্টে >>>
🌐 themedia.com.bd