যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে মতবিরোধ নিয়ে অন্যান্য প্রতিবেদনের মতো নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাত দিয়ে এটি করা নয়। বরং এবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনকে লেবানন-সংক্রান্ত যুদ্ধনীতি নিয়ে সত্যিই ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ওপর বিরক্ত ও হতাশ বলে মনে হচ্ছে।
ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) শুরুতেই লেবাননসহ সব ফ্রন্টে সামরিক অভিযান স্থায়ীভাবে বন্ধ করার কথা বলা আছে। কিন্তু ইসরায়েলিরা লেবাননে তাদের হামলা বন্ধ করেনি।
বরং ইসরায়েলি সেনাবাহিনী লেবাননে তাদের প্রাণঘাতী হামলা অব্যাহত রেখেছে এবং আগ্রাসন আরও বিস্তৃত করার চেষ্টা করছে।
এ ছাড়া ইসরায়েলি বাহিনী লেবাননে দখল করা ভূখণ্ড নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখার অঙ্গীকার করেছে। বর্তমানে লেবাননের প্রায় ২০ শতাংশ ভূখণ্ড ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
পটভূমি ও প্রেক্ষাপট
ইসরায়েলের এ আচরণ নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন স্পষ্ট করেই তাদের বিরক্তি ও অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে।
প্যারিসে বসে ইরানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করছেন ট্রাম্প। ১৭ জুন ২০২৬ছবি: এএফপিবিশ্ববাজারে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির ইতিবাচক প্রভাবের কথাও ট্রাম্প তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেছেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়া এবং শেয়ারবাজারের ঊর্ধ্বগতিসহ যা ঘটছে, তাতে বিশ্ববাজার ইতিবাচকভাবে সাড়া দিচ্ছে। আমরা লেবানন, হিজবুল্লাহ, ইসরায়েলসহ সব ফ্রন্টে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি প্রত্যাশা করছি।’
ইরান শুরু থেকেই বারবার বলেছে, লেবাননে হামলা চলতে থাকলে তারা কোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তি চূড়ান্ত করবে না।
গতকাল শুক্রবার ইরানের এই শর্তের প্রভাব দেখা গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। রাতভর লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বেশ কয়েকজন নিহত হওয়ার পর যুদ্ধবিরতি চুক্তির কারিগরি বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার শুক্রবারের নির্ধারিত বৈঠকটি স্থগিত করা হয়েছিল।
এবার লেবানন বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের পক্ষ নেয়নি। বরং ট্রাম্পের সই করা সমঝোতা স্মারক মেনে নিতে ইসরায়েলকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স।
দ্য মিডিয়া ডেস্ক 
























