ঢাকা ১০:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

তৃণমূল ছাড়লেন জ্যোতিপ্রিয়, মেয়র পদ থেকে গৌতম দেবের ইস্তফা

সাবেক মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও গৌতম দেবছবি: ভাস্কর মুখার্জিভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের অভাবনীয় বিপর্যয়ের পর রাজ্যজুড়ে দলটিতে পদত্যাগের হিড়িক পড়েছে। তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রী থেকে শুরু করে বিভিন্ন পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলররা একে একে ইস্তফা দিচ্ছেন। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হলেন রাজ্যের দুই সাবেক প্রভাবশালী মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও গৌতম দেব।

রাজ্যের সাবেক খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক একসময় রেশন দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান। সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া আসন থেকে তাঁকে মনোনয়ন দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু বিজেপি প্রার্থী দেবদাস মণ্ডলের কাছে তিনি পরাজিত হন। নির্বাচনে এই হারের পর আজ তিনি দল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেছেন।

অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গে তৃণমূলের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা ও সাবেক মন্ত্রী গৌতম দেব শিলিগুড়ির মেয়রের দায়িত্বে ছিলেন। এবারের নির্বাচনে তিনিও বিজেপি প্রার্থী শংকর ঘোষের কাছে হেরে যান। বিজেপির টিকিটে জয়ী হয়ে শংকর ঘোষ বর্তমানে রাজ্যের মন্ত্রী হয়েছেন। ভোটে পরাজয়ের পর আজ শিলিগুড়ির মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন গৌতম দেব।

এর আগে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বড় জয়ের পরপরই কলকাতা পৌরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম, বিধাননগরের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী ও চন্দননগরের মেয়র রাম চক্রবর্তী পদত্যাগ করেন। সেই ধারাবাহিকতায় আজ গৌতম দেবও মেয়রের পদ ছাড়লেন।

১৯৯৮ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে যখন তৃণমূল কংগ্রেস গঠিত হয়, তখন থেকেই তাঁর ছায়াসঙ্গী ছিলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর তাঁর মতো অনেকেই তৃণমূল ছেড়েছেন। তৃণমূলে দেখা দিয়েছে বিদ্রোহ। নির্বাচিত বিধায়কদের বড় অংশ আলাদাভাবে পথ চলতে চাইছেন।

দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে বাঁচিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক মাঠে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নেতা-কর্মীদের ধারাবাহিক পদত্যাগের এ ঘটনা তাঁকে অস্বস্তিতে ফেলেছে।

১৯ জুন, ২০২৬ ইং
শুক্রবার
তৃণমূল ছাড়লেন জ্যোতিপ্রিয়, মেয়র
পদ থেকে গৌতম দেবের ইস্তফা
বিস্তারিত কমেন্টে >>>
🌐 themedia.com.bd
ট্যাগঃ
জনপ্রিয়

পেলে কেন সামরিক শাসনের সময় নীরব ছিলেন? উত্তর মিলবে এই তথ্যচিত্রে

তৃণমূল ছাড়লেন জ্যোতিপ্রিয়, মেয়র পদ থেকে গৌতম দেবের ইস্তফা

আপডেটঃ ০৯:০৩:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

সাবেক মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও গৌতম দেবছবি: ভাস্কর মুখার্জিভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের অভাবনীয় বিপর্যয়ের পর রাজ্যজুড়ে দলটিতে পদত্যাগের হিড়িক পড়েছে। তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রী থেকে শুরু করে বিভিন্ন পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলররা একে একে ইস্তফা দিচ্ছেন। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হলেন রাজ্যের দুই সাবেক প্রভাবশালী মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও গৌতম দেব।

রাজ্যের সাবেক খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক একসময় রেশন দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান। সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া আসন থেকে তাঁকে মনোনয়ন দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু বিজেপি প্রার্থী দেবদাস মণ্ডলের কাছে তিনি পরাজিত হন। নির্বাচনে এই হারের পর আজ তিনি দল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেছেন।

অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গে তৃণমূলের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা ও সাবেক মন্ত্রী গৌতম দেব শিলিগুড়ির মেয়রের দায়িত্বে ছিলেন। এবারের নির্বাচনে তিনিও বিজেপি প্রার্থী শংকর ঘোষের কাছে হেরে যান। বিজেপির টিকিটে জয়ী হয়ে শংকর ঘোষ বর্তমানে রাজ্যের মন্ত্রী হয়েছেন। ভোটে পরাজয়ের পর আজ শিলিগুড়ির মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন গৌতম দেব।

এর আগে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বড় জয়ের পরপরই কলকাতা পৌরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম, বিধাননগরের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী ও চন্দননগরের মেয়র রাম চক্রবর্তী পদত্যাগ করেন। সেই ধারাবাহিকতায় আজ গৌতম দেবও মেয়রের পদ ছাড়লেন।

১৯৯৮ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে যখন তৃণমূল কংগ্রেস গঠিত হয়, তখন থেকেই তাঁর ছায়াসঙ্গী ছিলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর তাঁর মতো অনেকেই তৃণমূল ছেড়েছেন। তৃণমূলে দেখা দিয়েছে বিদ্রোহ। নির্বাচিত বিধায়কদের বড় অংশ আলাদাভাবে পথ চলতে চাইছেন।

দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে বাঁচিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক মাঠে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নেতা-কর্মীদের ধারাবাহিক পদত্যাগের এ ঘটনা তাঁকে অস্বস্তিতে ফেলেছে।

১৯ জুন, ২০২৬ ইং
শুক্রবার
তৃণমূল ছাড়লেন জ্যোতিপ্রিয়, মেয়র
পদ থেকে গৌতম দেবের ইস্তফা
বিস্তারিত কমেন্টে >>>
🌐 themedia.com.bd