বিশ্বকাপে ইরানের প্রথম ম্যাচের মাত্র ১০ দিন আগে তাঁদের সব ফুটবলারকে ভিসা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
বিশ্বকাপে ‘জি’ গ্রুপ থেকে ইরান তাদের সব ম্যাচ খেলবে যুক্তরাষ্ট্রে। কিন্তু পুরো টুর্নামেন্টে দলটির বেজক্যাম্প হবে মেক্সিকোর তিহুয়ানা শহর। সেখান থেকে নিজেদের প্রতিটি ম্যাচের এক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবে ইরান ফুটবল দল। গত মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগ (ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি) এই তথ্য নিশ্চিত করে।
এর আগে গত সপ্তাহের শেষ দিকে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে মেক্সিকোতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আবুলফজল পাসান্দিদাহর বরাত দিয়ে বলা হয়, ইরানকে ম্যাচের দিনই যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে হবে এবং ম্যাচ শেষেই ফিরে যেতে হবে।
কিন্তু হোমল্যান্ড সিকিউরিটির একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, ইরান দলকে ম্যাচের দিনই আসতে বাধ্য করার বিষয়টি সত্য নয়। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘দাবিগুলো সঠিক নয়। প্রেসিডেন্ট (ডোনাল্ড) ট্রাম্পের উদারতায় ইরান দল ম্যাচের এক দিন আগেই ভেন্যুতে পৌঁছানোর সুযোগ পাবে।’
ইরান ফুটবল ফেডারেশনের মুখপাত্র আমির মেহদি আলাভি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘ফিফার নিয়ম মেনেই পুরো দল একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে করে যুক্তরাষ্ট্রে যাবে।’ তাঁর এই বিবৃতি প্রকাশ করে ইরানের বার্তা সংস্থা আইএসএনএ। আলাভি আরও বলেন, ‘নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের এক দিন আগে দল ভেন্যু শহরে পৌঁছাবে। তবে পরের দুটি ম্যাচের ক্ষেত্রে আমরা দুই দিন আগেই ভেন্যুতে চলে যাব।’
গত সোমবার তিজুয়ানায় দোভাষীর মাধ্যমে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইরানি রাষ্ট্রদূত ফেডারেশনের কিছু কর্মকর্তার ভিসা বাতিলের তীব্র সমালোচনা করেন। তবে তিনি স্পষ্ট করেন, যাঁদের ভিসা দেওয়া হয়েছে, তাঁদের রাতে থাকার ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। তিনি বলেন, ‘তাঁদের ভিসায় এমন কোনো শর্ত নেই যে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই দেশ ছাড়তে হবে।’
কয়েক সপ্তাহের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে গত শুক্রবার, অর্থাৎ ইরানের প্রথম ম্যাচের মাত্র ১০ দিন আগে তাঁদের সব ফুটবলারকে ভিসা দেয় যুক্তরাষ্ট্র।
কিন্তু হোমল্যান্ড সিকিউরিটির একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, ইরান দলকে ম্যাচের দিনই আসতে বাধ্য করার বিষয়টি সত্য নয়। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘দাবিগুলো সঠিক নয়। প্রেসিডেন্ট (ডোনাল্ড) ট্রাম্পের উদারতায় ইরান দল ম্যাচের এক দিন আগেই ভেন্যুতে পৌঁছানোর সুযোগ পাবে।’
এর আগে গত মার্চ মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণে কোনো আপত্তি নেই। তবে ‘নিজেদের জীবন ও নিরাপত্তার স্বার্থে’ ইরানি দলের যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করাটা সমীচীন হবে না বলে মন্তব্য করেছিলেন তিনি।
দ্য মিডিয়া ডেস্ক 



















